একটা সময় ছিল যখন বাঙ্গালিরা সম্পদ বলতে গোয়াল ভরা গরু, গোলা ভরা ধান কিংবা চাষাবাদের জমিই বুঝত। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষাই হচ্ছে একমাত্র সম্পদ। বর্তমান সময়ে সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে যত বেশি ব্যস্ত, চিন্তিত এবং উদগ্রীব অন্য কোনো বিষয়ে ততটা নয়। সন্তানের প্রথম দিনের স্কুল যাত্রা থেকে শুরু করে শেষ দিন পর্যন্ত অভিভাবকের দৌড় ঝাপ কখনো থামেনা। তারা সর্বদা সন্তানকে মানসম্মত একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য অস্থির হয়ে থাকেন। কিন্তু মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মানসহ শিক্ষা ক্ষেত্রের প্রতিযোগিতায় উত্তরাঞ্চল অনেকটাই পিছিয়ে। বর্তমানে অবশ্য আমরা অনেক উন্নতি করছি। উত্তরাঞ্চলেও শিক্ষার ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। বেশ কিছু ভালো মানের প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। প্রথম থেকেই স্থানীয় এবং দূরদূরান্তের অভিভাবকগণ আমাদের উপর আস্থা রেখে তাদের প্রিয়া সন্তানদের দায়িত্ব আমাদের উপর অর্পন করেছে এবং আমরা তাদের আস্থার প্রতিদান দিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি একজন শিক্ষার্থীর প্রয়োজন বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান লাভ, সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতা অর্জন এবঙ স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ উচ্চ নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানুষ হওয়া দীক্ষা। যাদের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে আরও সুন্দর, আরও উন্নত। তবে ভালো ফসলের জন্য যেমন ভালো বীজ হলেই হয় না প্রয়োজন উর্বর জমি, তেমনি আমাদের কাঙ্খিত প্রজন্মের জন্য চাই মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমি মনে করি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণে চওড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সম্পূর্ণ প্রস্তত। কারণ আমাদের আছে মেধাবী ও পরিশ্রমি একঝাঁক শিক্ষক।